১০০০ হাজার টাকার অধিক পন্য কিনলে দেশজুড়ে ফ্রি ডেলিভারি

মোটা হওয়ার হারবাল ঔষধের নাম

আজকের লেখাটি সবচেয়ে সেরা, কারন এই পোষ্টে আজ মোটা হওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী ঔষধের নাম ও খাওয়ার নিয়মসহ কিভাবে মোটা ও লম্বা হওয়া যায় তা শিখিয়ে দিবো। মোটা হতে কি কি লাগে এবং কত ক্যালরী খাবার খেলে স্বাস্থবান হওয়া যায় সব থাকবে এই লেখায়।

মোটা হওয়ার প্রয়োজনীয়তা কার

মোটা হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি আবিবাহিত রোগা শুকনা মেয়েদের। কারন আমার দেখা অনেক ভাল মেয়েদের বিয়ে হচ্চেনা শুধু চিকন বলে। তাই সীমিত সময়ের জন্য হলেও অনেক মেয়েরা চায় এক্টূ মোটা হতে। তবে বিশেষ প্রয়োজন না হলে ছেলেদেরকে মোটা হওয়ার পরামর্শ আমি দেইনা। মেয়দেরকে এই পরামর্শ দেয়ার কারন- তারা মোটা না হলে বর পক্ষ তাদেরকে পছন্দ করেনা, যার কারনে যোগ্যতা থাকার পরও সুপাত্র পেতে অনেক কষ্ট হয়।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 1

মোটা না হওয়ার কারণ কি?

মোটা না হওয়ার অনেক কারন থাকতে পারে, আপনি দেখে নিন কোন কারণটা আপনার সাথে মিলে যায়। মোটা না হওয়ার জন্য জেনেটিক কারন থাকতে পারে, তাছড়া আনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ক্রনিক ডায়রিয়া, ক্রনিক ডিসেন্ট্রি, ফুসফুসের দুর্বলতা বা কোন রোগ থাকা, যক্ষা, আইবিএস, অথবা দীর্ঘদিন এন্টিবায়োটিক সেবনের কারনেও মোটা হওয়া যায়না। অনেক ক্ষেত্রে মেটাবলিজমও মোটা না হওয়ার জন্য দায়ী থাকে।

মোটা হতে গেলে কি কি খেতে হবে?

মোটা হওয়ার জন্য যেসব খাবারের প্রয়োজন হয় তা হলো- বেশি পরিমানে প্রোটীন সমৃদ্ধ খাবার, ক্যালসিয়াম ও জিংক আছে এসব খাবার নিয়মিত ও বেশি পরিমান হতে হবে। যেমন- প্রতিদিন ১-২ টা ডিম, ২৫০ মিলি গরুর দুধ, কলিজা, কলা, সজনে পাতার গুরাও খেতে পারেন, এতে প্রচুর পরিমানে মোটা হওয়ার উপাদানগুলো আছে। এছাড়া সবার আগে দেখে নিতে হবে, কেন আপনি মোটা হচ্ছেননা, উপরের লেখা অনুযায়ী আপনার এসব সমস্যা যদি থাকে তাহলে এগুলোর সমাধান করা জরুরী।

কিভাবে লম্বা ও মোটা হওয়া যায়?

লম্বা বা মোটা হওয়ার জন্য বাড়তি খাবারের কোন বিকল্প নেই, তবে লম্বা হওয়ার জন্য কায়িক পরিশ্রম বা অবশই ব্যায়াম করতে হবে। লম্বা হওয়ার জন্য আরো কিছু ফর্মুলা আছে, যা আপনি পাবেন একধরনের বিশেষ চপ্পল বা জুতা ব্যাবহারের মাধ্যমে। এই জুতার সোলের উপরের অংশে বিশেষ কিছু খাঁজ দেয়া থাকায় পায়ের নিচের অংশে একটা চাপ অনুভুত হয়, এবং এতে রক্ত চলাচলের সময় বিশেষ ব্যাবস্থার মাধ্যমে একধরনের হরমোন তৈরি হয়ে লম্বা হতে সাহায্য করে।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 2

মোটা হওয়ার জন্য বিশেষ খাবারের পাশাপাশি রোজ সকালে কিসমিসের জুস রাতে মৌরী ভেজানো পানি খেতে পারেন, এতে আপনার লিভারের সমস্যা দূর হবে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি পাবে, ফলে বেশি পরিমানে খাবার খাওয়ার জন্য আপনি প্রস্তুত হতে পারবেন। আর নির্দিষ্ট পরিমান থেকে একটু বেশি খাবার খেলে ধীরে ধীরে শরীর আগের চেয়ে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

ওজন বাড়াতে কত ক্যালরি খাবার খেতে হবে

শরীরের ওজন বাড়াতে হলে অবশ্যই বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে হবে। সাধারণত একজন মানুষের ১৮০০-২০০০ কিলোক্যালরী সমৃদ্ধ খাবার খেলে সুস্থ্য থাকা যায়। তবে যারা বেশি পরিশ্রম করে, অন্যদের তুলনায় তাদের দেড় গুন ক্যালরির প্রয়োজন হয়। কিন্তু যারা মোটা হতে চায়, তারা পরিশ্রমীদের চেয়েও আরেকটু বেশি ক্যালরীযুক্ত খাবার খেতে হবে। মোটা হওয়ার জন্য একজন সাধারন মানষের চেয়ে ২ গুন খাদ্যশক্তির প্রয়োজন।

অর্ডার করুন
Ad 3

মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

মোটা হওয়ার মুল ঔষধের নাম সিপ্রোহেপ্টাডিন ও ডেক্সামেথাসন। এগুলোকে কেও ট্যাবলেট, কেও সিরাপ আকারে বাজারজাত করে। আবার কেও কেও হালুয়া আকারেও বিক্রি করে। যদিও এগুলো অন্য রোগের ঔষধ, কিন্তু এগুলো বেশি পরিমানে কয়েকদিন খেলে শরীর ফুলে যাওয়ায় মোটা দেকা যায়।

মোটা হওয়ার আরেকটি এডভান্স লেভেলের ঔষধ আছে যার জেনেরিক নাম- মেজেষ্ট্রল এসিটেড। এগুলোও আসলে মোটা হওয়ার জন্য করা হয়নি, এর কাজ মুলত এইচআইবি আক্রান্ত এইডস রোগীদের যখন খাবার গ্রহনে অনীহা চলে আসে, বা ঐ রোগীর খাদ্য গ্রহন করার ক্ষমতা হারায়, ডাক্তাররা তখনই তাকে এই ঔষধ লিখে দেন, যেন রোগীর খাদ্য গ্রহনে কোন সমস্যা না হয়।

মোটা হওয়ার ইউনানী ঔষধের নাম

মোটা হওয়ার ইউনানী ঔষধের নাম যথাক্রমে
মোটা হওয়ার সিরাপ- পিউভিট, আম্লাটন, অলভিটন, আমলা, আমরুদ প্লাস, আমলকি প্লাস, পুদিনা প্লাস ইত্যাদি। এসব ঔষধ খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে, যা প্রথম মাসে একজন প্রাপ্ত বয়স্কদের সাধারন ডোজ ২ চামচ করে ৩ বার, ২য় মাসে ২ চামচ করে ২ বার, ৩য় মাসে শুধু রাতে ২ চামচ করে খেতে হবে। তবে ১৪ বছরের নিচে এসব ঔষধ খাওয়া ঠিক নয়।

মোটা হওয়ার ট্যাবলেট- হেলফিট, রুচিট্যাব, রুচিতা, রুচিভিট, রুচক ইত্যাদি। এগুলোও সিরাপের মতোই ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হয়। তবে যদি অতিরিক্ত গ্যাস হয় তাহলে প্রথম মাস থেকেই অর্ধেক ডোজ সেবন করা উচিৎ। এর সাথে অবশ্যই গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

মোটা হওয়ার ঔষধ এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মোটা হওয়ার ঔষধ মানেই ষ্টেরয়েড মিশ্রিত ঔষধ, সাইড এফেক্ট বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যাই বলেননা কেন- সাইড এফেক্ট আছে মনে করেই যদি খেতে পারেন, তাহলেই সামনের দিকে এগুবেন। কারন এগুলোর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া লিভারে গোলযোগ সৃষ্টি, শরীরে পানি জমে কিডনীতে এফেক্ট হতে পারে, এনজাইম প্রক্রিয়ায় ব্যহত, পিত্তরস নির্গমনে বাধা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষকরে মেজেষ্ট্রল জাতীয় ষ্টেরয়েড সেবনের ফলে পুরুষদের মেয়েলী স্বভাব চলে আসতে পারে।

পরিশেষে

মোটা হওয়ার হারবাল ঔষধ বলতে কিছুই নেই, এগুলো সব ষ্টের‍ইয়েড মিশ্রিত সিরাপ বা ট্যাবলেট, এই ঔষধ সেবনের ফলে নানাবিধ সমস্যা দেখে দেয়। তবে পুরুষ অপেক্ষা নারীদের জতিলতা কিছুটা কম হওয়ায়, এবং প্রয়োজনীয়তা বেশি হওয়ায় তাদেরকে অনেক ডাক্তার এই ঔষধগুলো সাজেষ্ট করে থাকেন। বিশেষ প্রয়োজন না হলে এই ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকার অনুরুধ থাকবে। কোন বিষয়ে জানার থাকলে কমেন্ট করে প্রশ্ন পাঠাবেন।

আরো পড়ুন- কতক্ষন সহবাস করা উচিৎ ও সহবাসের সঠিক নিয়ম

হারবাল ঔষধ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

We will be happy to hear your thoughts

      Leave a reply

      হারবাল ঔষধ
      Logo
      Compare items
      • Total (0)
      Compare
      0
      Shopping cart